তুমি আন্তঃসীমার নদী,
নদীয়ার নিজের নদী-কন্যা
ছুঁয়ে আছো দুই বাংলার হৃদয়
কালের কঠিন বিবর্তনে মৃতপ্রায় তুমি,
প্রবাহহীনা তাই।
এ প্রসঙ্গে খবরের কাগজ
তার খবরের শিরোনাম
আরও কিছুটা ছোট হরফে লিখছে-
“মৃত্যুর দিন শুনছে পাগলাচণ্ডী!”
জলঙ্গী, ইছামতি তথা চূর্ণীরও একই দশা।
অথচ এমনটা হওয়ার কথা ছিল না।
আচ্ছা, তোমার মনে আছে তোমার জন্মকথা?
মা গঙ্গার দক্ষিণ-পূর্ব দেহ থেকে
উৎপন্ন হয়ে একদা কিশোরী তুমি
দুরন্ত বেগে ছুটে গিয়ে অধুনা বাংলাদেশের
মহানন্দায় মিশেছিলে সানন্দে!
তারপর কতো জল বয়ে যাওয়া
কতো ইতিহাসের উত্থান-পতন
কতো কতো নারীর কান্না … তোমারও কান্না!
অথচ তোমার ফ্রকের দু’প্রান্ত একদা
ছুঁয়ে থাকতো গঙ্গা আর জলঙ্গীর জল।
জল … জল … জল … রসাতল …!
হায় পাগলাচণ্ডী!
আমাদের সেই শুভবুদ্ধি কই
যে তোমাকে বাঁচাতে উদ্যোগী হবো?

0 মন্তব্য
আপনার মন্তব্য জানান