স্মৃতির সাঁঝবেলায়
তুলসী বেদীর মাঝবুকের জীবন্ত বিকেলের কথা ছেড়ে,একটা অনাদৃত আলপনা আঁকো,যার বেসাতি-জোছনায় পশ্চিমা আঙুলের নোনাটে ঘোরের দৃশ্য কুড়িয়ে,একটা উপগ্রহ পোষা যায়।
অন্ধকারের নহবতে দোতরা খুঁজতে গেলে
আমার বাউল মন নিভে যায়—
মনে হয়, যেন কবেকার প্রিজমে
উগ্রগন্ধী যামিনীর পদতলে তুমি নুড়ি কুড়াও,
নিখাদ সমুদ্রের মগ্ননৌকার ঊর্মীযোগে।
যত টুকরো আকাশকে করতে পারি,
দুঃখকে পারি না বলেই আমরা জলমাখি স্মৃতি নিংরে।
অতলভেসে যাওয়া ধ্বনি যদি একদিন ফেরে নখের নিচে ধূলিময় মন্ত্র হয়ে—
তবে,মায়াজন্মের মতো সদ্যোজাত হাওয়ায়
একটু "আহা" জমিও,বুড়ির সুতোর মতো তা সঞ্চারিত হোক।
আলোর ঘরবাড়ি
তুমি জেনে রেখো—
চাঁদভাঙা মুখে একটা পাতা হেসে উঠলে
পৃথিবীর কল্পনাগুলো বদলে যায়।
ধুলো ছেঁচে যে পায়ে রোদ জমে,
তার নীচে একটানা হেঁটে আসে
এক ফোঁটা অসমাপ্ত বিকেল।
শ্রাবণের বাঁকে কাচের মতো
আড়াল করে রাখি
একটা আদুরে সংলাপ—
ঝিনুকের অভ্যন্তরের।
তুমি দ্যাখো না,
ঘড়ির কাঁটার নিচে
একটা দিন ঝরে পড়ে শব্দহীন অক্ষরে।

0 মন্তব্য
আপনার মন্তব্য জানান