এই ঘুঘুচরা বাংলায় কে-না চায় পুনর্জন্ম? পিঁপড়ে থেকে পতিত পাবন, আলপিন
থেকে অলীকবাবু, শ্যামাপদ থেকে শিহরিত শ্রাবণ। এমনকি জন্ম- মৃত্যও। একটি
মেঘবর্ণ সকাল একটি ঠোঁট ভাঙা দুপুর যতই দীর্ঘশ্বাস ফেলুক অশ্বত্থতলা ও
আলপথ দিয়ে এবং অলিগলি বেয়ে সতৃজ্ঞ নয়নে চেয়ে থাকে কখন অশ্রুভেজা
বাংলা ঝলসে উঠবে খাপখোলা তরবারির মতো। কখন কালশিটে পড়া দাগ থেকে
চলকে পড়বে অগ্নিজল ? ঘুমন্ত রাস্তা দূরন্ত ভ্রম আবার জেগে উঠবে যেন
প্রদীপ্ত শিখা । কুহু ডাক দিয়ে নিম্নচাপ সরে যাবে যেন মন্ত্রমুগ্ধ
প্রণয়পিঞ্জর ...
#
এই বাংলায় তো কই মাছের প্রাণ নিয়ে দপ্ দপ্ করে জ্বলে ওঠে পুরোনো লন্ঠন।
আর্তনাদও ক্ষুধামান্দ রোগে ভোগে। বস্তাভর্তি আবেগ বিতরণ করে কল্কের
আগুন। নৈরাজ্য ছড়ায় মায়াময় উত্তেজনা। উইলাগা বইর ভেতর থেকে উঁকি দেয়
সম্রাট শাজাহান। শিকারীর অভিপ্রায়ে রাত্রি আসে সায়ক ও স্বপ্ন নিয়ে....

0 মন্তব্য
আপনার মন্তব্য জানান