আমি আর শুকপাখি ঘুমোইনি
রাতের দক্ষিণে মেঘ ক্ষুদে ক্ষুদে তারামন্ডলির ভেষজ কনফারেন্স
ভ্রমরের হুল মিশে যাবে সন্ন্যাসে ও সাম্যবাদে
রিফুকাজে রংবেরং সুতো পরষ্পর অর্থহীনতায় স্থির
( দিগন্ত ছুঁয়েছে ইটভাঙা কল
পেঁচার বাম কাঁধে নিজের অর্ধেক মগজ)
রাতের প্রথম প্রহর পাথরে লিখেছে সংলাপ
স্থির সম্পর্কের নিচে নিদ্রিত গাছের পাতা
কেবল ওপর থেকে একটি শেয়াল
শুঁকে দেখছে মৃত্যুর রাজনীতি মানচিত্র অনুক্রমহীন
( অন্ধকার কার নিজস্ব প্রতিফলন থেকে
বেঁচে এসেছে)
মাঝের প্রহর ঢেকে গিয়েছিল হাড়ের প্লাবনে
রক্ত আর কালো কালো চোখ
খনিরাজত্বের দিকে তীক্ষ্ণ
হাড়গুলো ডাকছিল পরষ্পর নাম ধরে
(কেন অবিশ্বাস করছো পরিবর্তীত হরফগুলোকে
আর স্তব্ধতায় প্রতিক্রিয়া)
তবে মৃত্যু ঠায় পায় শেষ প্রহরেই বন্ধুত্বের জাল
যেন ইঁদুরেরা আগ্নেয়গিরিতে প্রবেশের বাঁধা অতিক্রম করে
আমি আর শুকপাখিটি
ইচ্ছে হয় মরি এখনই দেবদূত ঐ দেবদারুশাখায়
(গতকাল আমার ওজন ছিল একশো কেজি
একশো কেজি হয় তো এক কেজির চেয়ে বেশি হবে না
তুন্দ্রা অঞ্চলের আত্মীয়স্বজন
মিলিয়ে দেখবে সূর্যের সঙ্গে প্রাগৈতিহাসিক ভুলবোঝাবুঝি)

0 মন্তব্য
আপনার মন্তব্য জানান